ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

আমরা সবায় প্রায় সময় দেখি রাস্তায় যানজটে পরে অনব্রত অ্যালার্ম দিয়েই যাচ্ছে কোন মুমূর্ষ রোগীবাহী বা লাশবাহী এম্বুল্যান্স। কে করে কার তোয়াক্কা ! সবায় আছে সবার চিন্তায়। কে কার আগে যেতে পারবে । আমি এই পর্যন্ত দেখিনি কোন এম্বুল্যান্সকে অন্য কোন গাড়ি সেচ্ছায় রাস্তা ছেড়ে দিতে। এইটা আমাদের মানবতার ১ নাম্বার সমস্যা। একটা এম্বুল্যান্সের অ্যালার্ম দেওয়ার কারনটা আমাদের সবার কি বোঝা উচিৎ নয়? ওই আম্বুল্যন্সে আপনার/ আমার কোন আত্মীয় – স্বজন যদি থাকত  তাহলে ঠিকই অ্যালার্ম দেওয়ার মানেটা নিজে সবার চাইতে বেশি বুঝতাম এবং অন্যকে বোঝানোর জন্য প্রয়োজনে জোর খাটাতাম।

দুই নম্বর সমস্যা হলো, এম্বুল্যান্সে অ্যালার্ম অনব্রত বাজছে, কিন্তু দেখি আম্বুলেন্সের গ্লাস/জানালা খোলা! তাহলে এ্যাম্বুলেন্সর ভিতরে যেই মুমূর্ষ রোগীটা আছে তার কি কোন ক্ষতি হচ্ছে না? তীব্র অ্যালার্ম, রাস্তার অন্যান্য গাড়ির হর্ন এতসব চাপ কি ওই মুমূর্ষ রোগীটা নিতে পারছে? কোন অবস্থাতেই না।

তিন নম্বর সমস্যা হলো, আমাদের এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার ভাইদের দেখা যায় খালি এ্যাম্বুলেন্সে তীব্র অ্যালার্ম ব্যবহার করতে। যার কারনে মানুষ ওই অ্যালার্মকে মূল্য দিতে চায় না। তাহলে আমাদের এ্যাম্বুলেন্সের অ্যালার্মটাকে অপব্যবহার অবশ্যই অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। তাহলে মূল্য পাওয়া যাবে।

আসুন, আমরা সবায় এ্যাম্বুলেন্সের অ্যালার্মের মূল্য দেই, অ্যালার্ম অপব্যবহার বন্ধ করি এবং রোগীবাহী এ্যাম্বুলেন্সে গ্লাস/ জানাল বন্ধ রাখি।