ক্যাটেগরিঃ স্যাটায়ার

:: কল্প গপ্প ::

জনাব মগামী হুজুরের রায় হবে আগামিকাল! তিনি নিয়মিত ভোরে ঘুমু থেকে উঠে নামায পড়েন। আগামীকালো তার ব্যাতিক্রম হবে না। এরপর গোসল করে গায়ে সুগন্ধি মেখে নতুন পাঞ্জাবি পড়বেন। কিছু খেয়ে বা না খেয়ে সকাল সকাল বের হয়ে যাবেন সালিশি মজলিশের উদ্দেশে!

উহা তো মজলিশ না রে পাগলা, জলশা ঘর! রাজা মহা রাজারা সেখানে শুরা পান করেন! জনাব হুজুরের অমন পান করার অভ্যাস না থাকলেও মাঝে মাঝে মারাত্মক নেশা ওঠে!

এইতো মাত্র ৪৩-৪৪ বছর আগেও একবার নেশার ঘোরে কিছু পটকা ফাটিয়েছিলেন, হাতের তরবারি নিয়ে একটু গুতোগুতি করে ছিলেন! তাতে পাড়ার কিছু নাঙা চ্যাংড়া ছোকরার একটু-আধটু চামড়া ছুলে গিয়েছিলো! আর তাইনা নিয়ে মাঝারি রাজা বাদশারা একটা সালিশ ঠুকে দিলো! আসলে এই দেশ মানির মান রাখতে জানে না!

ও ব্যাপার না। হুজুরের ছলা কলা(!) সব জানা আছে। রং মহলে তিনি আগেই রং ছড়িয়ে রেখেছেন…

ঘন্টা-খানেক পরঃ
জনাব হুজুরের বিচার শেষ। মুরুব্বি মানুষ, তাই কিছু একটু জরিমানা করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি এখন ভেতরে থাকা সকল রাজা-মহারাজাদের সাথে সেলফি তুলছেন, ট্যাগ করে চেক-ইন দিচ্ছেন।

বাহিরে সাধারণ প্রজাদের মাঝে কোন শব্দ নেই! এক দৃষ্টিতে তারা তাকিয়ে আছে, আর দেখছে জনাব মগামী হুজুরের সেলফি কারিশমা।

[পুনশ্চঃ গল্পটি মিথ্যে হোক, জয় হোক সত্যের]