ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবর কতগুলো কার্ড খেলা হয় – ধর্ম কার্ড, জঙ্গিবাদ কার্ড, ভারতবিরোধী কার্ড, স্বাধীনতার চেতনা কার্ড ইত্যাদি। অবশ্য ‘গণতান্ত্রিক’ রাজনীতি মানে কার্ডেরই খেলা – সেটা আমেরিকা-ব্রিটেন হোক বা ‘বৃহত্তম গণতন্ত্র’ ভারতই হোক। ওইসব দেশেও নির্বাচনের আগে কী সব কার্ড খেলা হয় সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাচ্ছি না পোস্টের কলেবর ছোট রাখার স্বার্থে (সচেতন পাঠক জানেন সেসব)।

অর্থনীতির ব্যাসিক থেকে বলা যায় কোন কিছুর যোগান আছে মানেই হল এর চাহিদা আছে। ঠিক একইভাবে বলা যায়, রাজনীতির মাঠে নানা রকম কার্ডের অস্তিত্ব থাকা মানেই হল সেই কার্ডগুলোর চাহিদাও আছে, এবং সেই কার্ডগুলো তৈরি হবার মত বাস্তবতাও সমাজে বিরাজ করে। এটা সত্য, মানুষের মানসিকতার বা বাস্তব পরিস্থিতির একেবারে বাস্তব প্রতিফলন যে নির্বাচনী কার্ডে ফলে সেটা না, এটা অনেক সময়ই নানাভাবে সুবিধামত ম্যানিপুলেট করে নেয় রাজনৈতিক দলগুলো। আবার কোন দল কোন কার্ড খেলা মানেই যে সে ক্ষমতায় গেলে সেরকম করব কাজ করবে সেটা কিন্তু না। তাই ‘ভারত বিরোধী কার্ড’ খেলা দলটি ক্ষমতায় যাবার পর বাংলাদেশ ভারতীয় পণ্যের একচ্ছত্র বাজার হয়ে পড়ে। আবার ‘ধর্মনিরপেক্ষতা কার্ড’ খেলা দলটি ক্ষমতায় গিয়ে বিসমিল্লাহ আর রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে সংবিধান সংশোধন করে; আর তারও আগে ওই দলের নেত্রী নির্বাচনের আগে হজ করে মাথায় হিজাব পরে হাতে তসবি নিয়ে পোস্টার বানান।

বলছিলাম বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ভারত বিরোধী কার্ড’ এর কথা। এই কার্ডটির অস্তিত্ব প্রমাণ করে এই দেশের মানুষের মধ্যে ভারতবিরোধী মনোভাব রয়েছে। এর মানে আবার এটাও না যে এই কার্ড ব্যবহারকারীরা যা যা বলেছে তার সবই সত্য (যেমন – পার্বত্য শান্তিচুক্তি হলে ফেনীর পর থেকে বাংলাদেশের বাঁকী অংশ ভারত হয়ে যাবে)। আগেই বলেছি, কার্ড ব্যবহারকারীরা তাদের সুবিধামত বক্তব্য দিয়ে কার্ড ব্যবহার করেন। আর আমাদের মত তুলণামূলক কম শিক্ষিত মানুষদের দেশে বাস্তবতার সাথে নানা কিছু যোগ-বিয়োগ করাই যায়।

বাংলাদেশের রাজনীতির একটা খুব উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘোটলো কিছুদিন আগে। ‘ভারত বিরোধী কার্ড’ খেলা বিএনপি রীতিমত সংবাদ সন্মেলন করে ‘নাকে খৎ’ দিয়ে বলেছে, তারা নাকি কোনদিন ভারতবিরোধীতা করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। ভবিষ্যতে ভারতবিরোধীতা করবে না, এটা মানা গেল, কিন্তু ওই দল ভারতবিরোধী কার্ড খেলেনি অতীতে!! ধর্ম কার্ডের সাথে ওই কার্ড ছিল বিএনপি’র অতি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক হাতিয়ার। আওয়ামী লীগ ‘ভারত বিরোধী কার্ড’ খেলেনি কোনদিন, আর এখন বিএনপি রীতিমত ঢাকঢোল পিটিয়ে সেই খেলায় ক্ষান্ত দিলো। এতে টিভির টক শোতে অনেক ‘বিজ্ঞ’ আলোচককে দেখি এটা বলতে যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ভারত বিরোধী কার্ড’ খেলা চিরতরে শেষ হল। হবে কি?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সাহায্য করা নিয়ে খুব বেশী আবেগাপ্লুত হবার কিছু নেই। ওই সময় আমাদের আর ভারতের, উভয়ের প্রয়োজন একই যায়গায় মিলে গিয়েছিল – আমাদের দরকার ছিল স্বাধীনতা, আর ভারতের দরকার ছিল পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘতর (পূর্ব পাকিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্তের দৈর্ঘ্য পশ্চিম পাকিস্তানের চাইতে বেশী) ফ্রন্টটি চিরতরে বন্ধ করে দেয়া। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর উভয়ের প্রয়োজন মিটে গিয়েছিল। এই বিষয়টার প্রতি ইঙ্গিত করে একবার টিভি টক শোতে শ্রদ্ধেয় নুরুল কবীর বলেছিলেন, বাংলাদেশ যেদিন স্বাধীন হয় ভারতের প্রতি ঋণ সেদিনই শোধ হয়ে গেছে। কিন্তু না, আন্তর্জাতিক রাজনীতি না বোঝা বা বুঝেও না বোঝার ভাণ করা আমাদের দেশের কিছু মানুষ আবার মনে করেন সবকিছু ছেড়ে দিয়ে ভারতের ‘ঋণ’ শোধ করতে হবে। আগেই বলেছি, স্বাধীন হবার পরপরই এই ব্যাপারে ভারতের কাছে আমাদের আর কোন ঋণ নেই। বরং স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ভারতের নানা আচরণে এটা স্পষ্ট যে ভারত আমাদের ‘Elder brother’ হতে চায়নি কখনো, হতে চেয়েছে ‘Big brother’। যদিও ইদানিং তারা খুব করে ‘Elder brother’ হবার কথা বলছে; আমি কিন্তু এতে বিন্দুমাত্রও আস্থা রাখি না।

কিছুদিন আগে আমাদের দেশের সাথে সীমান্ত চুক্তি সম্পাদনের জন্য সংবিধান সংশোধন করেছে ভারত। আর এটা নিয়ে আমাদের কী ভীষণ মাতামাতি! কেউ এটা বললো না, যে কাজটা আমরা ৪০ বছর আগে করেছি, সেই কাজ ভারত এতোদিন পরে করলো, এতো ভুগিয়ে! কোথায় ভারত ক্ষমা চাইবে আমাদের কাছে এই দেরির জন্য, সেটা না করে তাদের আবার বড় গলা – বিবিসি বাংলার খবরে শুনলাম, সংসদের বিল পাসের পর আসামের একজন বিধায়ক বলছেন, এবার বাংলাদেশের উচিৎ হবে ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে দেয়া। আমাদের ন্যায্য অধিকার আটকে রেখে তারপর ওটা দিয়ে বাহবা নেয়া! আর আমরাও বাহবা দেই! কী ভীষণ মেরুদন্ডহীন হয়ে গেছি আমরা‍!

একই কথা বলা যায় তিস্তা চুক্তি নিয়ে। এবার এটা হচ্ছে না, বলেই দেয়া হয়েছে। অনুমান করি পশ্চিমবঙ্গের ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর (ওই রাজ্যে তিস্তা একটা ‘কার্ড’) নামকাওয়াস্তে একটা তিস্তা চুক্তি হবে। নামকাওয়াস্তে বলছি এজন্য যে ভারতের সাথে এরকম দ্বিপক্ষীয় পানিবন্টন চুক্তি নিয়ে আমার অন্তত কোন আস্থা নেই। গঙ্গা পানিবন্টন চুক্তি হয়েছিল, কিন্তু পানি কি পেয়েছি আমরা? প্রতিবছর শুকনো মৌসুমে গঙ্গায় পানি না থাকার রিপোর্ট আসেই পত্রিকায়। এ বছরের একটা রিপোর্ট (ঘোড়ার গাড়িতে পদ্মা পার!) আমি খুব ভালভাবেই জানি, তিস্তা চুক্তির পরও আমাদের শাসক দল দারুণ কৃতিত্বের দাবী করবে। ভারতও দেখাবে তার ‘Elder brother’ হয়ে ওঠা। কিন্তু কেউ এই প্রশ্ন তুলবে না, বছরের পর বছর তিস্তার পানি না থাকার কারণে যে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প কাজ করতে পারলো না, তার ক্ষতিপূরণ ভারত কেন দেবে না? এই নদীর পানি না থাকায় আমাদের কত ফসল কম উৎপাদন হয়েছে? সেই ক্ষতি সামাল দিতে ভূগর্ভস্থ পানি সেচের পেছনে কত বাড়তি খরচ হয়েছে? আর এতে আমাদের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কতটা নীচে নেমে গেছে?

আন্তর্জাতিক নদীর পানিবন্টন নিয়ে আন্তর্জাতিক আর্বিট্রেশনের সুযোগ আছে; গঙ্গাচুক্তির অভিজ্ঞতা বলে সেটাই ছিল আমাদের জন্য ভাল পন্থা। যদিও আনন্দবাজারের তথ্য মতে মমতা ব্যানার্জির সাথে আর্বিট্রেশনের কথা বলে চাকুরী হারিয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মণি (লিঙ্ক)। আর শুধু তিস্তাচুক্তির কথাই বা বলছি কেন শুধু আমরা? অভীন্ন ৫৪ টা নদীর পানিবন্টন নিয়ে কেন একসাথে কথা হচ্ছে না? কিছুদিন আগেই পত্রিকায় দেখেছি, ফেনী নদীর পানির অভাবে মুহুরী প্রজেক্ট ভালভাবে কাজ করছে না, কারণ ভারত ফেনী নদীর উজান থেকে খুব পাওয়ারফুল অনেকগুলো পাম্পের সাহায্যে পানি প্রত্যাহার করছে। এই পানিই হবে নিকট ভবিষ্যতে ভারতের সাথে আমাদের দ্বন্দ্বের মূল বিষয়। আর আমাদের অনেকেই জানি, এই শতাব্দীতে অসংখ্য যুদ্ধ আর সন্ত্রাসের কারণ হবে ‘পানি’, আর এর এক প্রধান স্থান হবে দক্ষিন এশিয়া। গার্ডিয়ানের লিঙ্ক – Why global water shortages pose threat of terror and war

গতবার মনমোহন সিং এর সফরের সময় তিস্তাচুক্তি হয়নি বলে বাংলাদেশ ট্রানজিট চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। যদিও এই দুইটা বিষয়কে মেলানো একেবারেই অন্যায় – তিস্তার পানি আমাদের অধিকার, ট্রানজিট ভারতের অধিকার নয়। কিন্তু এবার চুক্তি না হলেও বাংলাদেশ এর মধ্যেই ট্রানজিট চুক্তি স্বাক্ষর করার প্রস্তাব মন্ত্রীসভায় অনুমোদন করেছে। কোলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা পর্যন্ত বাস সার্ভিস পরীক্ষামূলকভাবে এর মধ্যেই শুরু হয়েছে।

এই ট্রানজিট নিয়েও হচ্ছে তুঘলকি কান্ড। তাদের ট্রানজিট দেবার জন্য আমাদেরকে আমাদের অবকাঠামো ভাল করতে হবে আর সেজন্য মোটা সুদে তাদের কাছ থেকে ঋণ নিতে হবে। গেল বার মনমোহন সিং এর সফরের সময় ১০০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছিল ভারত ৪.৫ শতাংশ সুদে। অথচ বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফ এই ধরণের ঋণ দেয় ১ শতাংশের কম সুদে। এবার মোদির সফরে আরো ২০০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি হতে পারে। ট্রানজিটের অবকাঠামো নির্মান হল, আবার মোটা সুদে ঋণ বেচাও হল – ভারতের জন্য কী দারুণ ‘রথ দেখা আর কলা বেচা’। ওদিকে প্রথমে তো প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা বলেছিলেন, ট্রানজিটের ফী নেয়ার মত ‘অসভ্য’ আমরা নই। এখন ফী এর কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু সেটা কত, তা কিন্তু বলা হচ্ছে না। অনুমান করি সেটা হবে ন্যুনতম। ওদিকে ট্রানজিটের কারণে আমরা সেভেন সিস্টার্স রাজ্যে আমাদের অনেক পণ্যের বাজার হারাবো।

বাংলাদেশের কাছে ভারতের মূল চাওয়া ছিল দুইটি – পূর্বাঞ্চলীয় সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী'(না মুক্তিযোদ্ধা?) দেরকে হস্তান্তর, আর ট্রানজিট। আগেরটি এর মধ্যেই বাংলাদেশ করেছে, হাতে থাকা বাঁকিটাও এবার হাতছাড়া হয়ে যাবে। এটার ক্ষতি আছে অনেক। অনেক বিশ্লেষকের মত আমিও মনে করি, বাংলাদেশের উচিৎ ছিল এই বিষয়টা হাতে রেখে অন্য সমস্যাগুলোর আশু সমাধান করা।

বছরের পর বছর নানা রকম নন ট্যারিফ ব্যারিয়ার দিয়ে আমাদের পণ্য রপ্তানীর সুযোগ বন্ধ করে রেখেছে ভারত। উজানে টিপাইমুখ বাঁধ বানাবে তারা, আন্তঃনন্দী সংযোগ করবে তারা আমাদের সন্মতি ছাড়াই, কিন্তু ভাটিতে আমরা পদ্মা ব্যারাজ বানাতে চাইলেই তাদের আপত্তি। চীন সোনাদিয়ায় গভীর সমূদ্র বন্দর বানিয়ে দিতে চাইলে তাদের বাধা। আমরা সাবমেরিন কিনতে চাইলে তাদের প্রশ্ন, ওসব আমাদের দরকার কেন? সীমান্তে হরহামেশা মানুষ মারা হয় গুলি করে বা পিটিয়ে। এই দেশ ভারতীয় চ্যানেলে সয়লাব হয়ে থাকলেও আমাদের চ্যানেল দেখানোর মত অতি সাধারণ বিষয় নিয়েও তাদের টালবাহানা। আছে ভিসা পেতে আহেতুক জটিলতা। শুধু চল্লিশ বছরের পুরনো এক পাপের (সীমান্ত চুক্তি) কাফফারা চল্লিশ বছর পরে দিয়ে আর যাই হোক ‘Elder brother’ হওয়া যায় না।

চিরকালই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করেছে। কিন্তু ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনের প্রক্কালে তাদের নগ্ন হস্তক্ষেপ ছাড়িয়ে গিয়েছিল সহনশীলতার সব সীমা। তাদের বিদেশ সচিব সুজাতা সিং ওই সময় দেশে এসে কী কী করেছিলেন সেটা এই দেশের মানুষের মনে আছে। দেশের অসংখ্য মানুষের সারা পৃথিবীর অনেক দেশের প্রভাবের বাইরে গিয়ে ভারত ওই নির্বাচনটি করানোর জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষে বাজি ধরেছিল, তাদের এক সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যও ছিল – বিএনপি কে হাড়ে হাড়ে দেখিয়ে দেয়া, এই দেশে ক্ষমতায় যেতে এবং থাকতে হলে ভারতের সামনে নতজানু হয়েই সেটা করতে হবে। তাদের কৌশল কী অসাধারণভাবে কাজে লাগলো – কয়েকদিন আগেই বিএনপি’র নাকে খৎ (যার কথা আগেই লিখেছি) আর মোদী তাদের নেত্রীকে সাক্ষাৎ দেবে, এতে তাদের যুদ্ধজয়ের আনন্দ! কতোটা দেউলিয়া হয়ে গেছে এই দেশের রাজনৈতিক দলগুলো!

১৫৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া আর বাকীগুলোতে প্রায় ভোটারবিহীন নির্বাচন করেও বর্তমান সরকারের আইনগত ভিত্তি হয়তো আছে, কিন্তু কোন নৈতিক ভিত্তি নেই। তাকে ক্ষমতায় থাকতে সাহায্য করার জন্য ভারতের প্রতি ‘কৃতজ্ঞতার ঋণ’ তারা শোধ করবে, এটাই স্বাভাবিক। ওদিকে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া বিএনপি ভারতকে হয়তো আওয়ামী লীগের চাইতেও বেশী দেয়ার জন্য প্রস্তুত। ভারতের সামনে নতজানু এই দুই দলের কারণে ভবিষ্যতে ভারত হয়ে উঠবে আরো আগ্রাসী – সবদিক থেকে রক্ষিত হবে তার স্বার্থ ক্রমাগত বাংলাদেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে। তাই সাধারণ কান্ডজ্ঞান বলে বাংলাদেশের মানুষের ভারতবিরোধী মানসিকতা ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। বিএনপি ‘নাকে খৎ’ দিয়ে ফেলে দিলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ভারত বিরোধী কার্ড’ থাকবেই; অন্য কেউ ওটা তুলে নেবেই। আমরা যে যাই বলি না কেন, বাংলাদেশের প্রতি ভারতের ‘Big brother’ সুলভ আচরণ না পাল্টালে এটাই ভবিতব্য, কারণ এটাই যৌক্তিক।

Facebook: https://www.facebook.com/zahed.urrahman.77