ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

বিশ্ববিদ্যালয় কোন আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান নয়। এমনও তো নয় কেবল আশ-পাশের শিক্ষার্থীরাই পরীক্ষার্থী হয়ে আসে। তাহলে তাদের সাথে এমন নিষ্ঠুরতা কেন?

জাতীয় এই প্রতিষ্ঠানটিতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া সারা দেশের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসে। অনেক অর্থ-শ্রম ও কষ্ট স্বীকার করে তারা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বিশ্ববিদ্যালয় তথা রাষ্ট্র শিক্ষার্থীদের এই চরম প্রতিযোগিতায় ঠেলে দিলেও তাদের জন্য সুবিধা রেখেছে খুবই অল্প। বলতে হয় সুবিধার বালাই নেই। প্রতিবছর দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীরা কোনমতে হলে থাকতে পারলেও এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সুবিধাটুকু পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছে। বাড়ি ছেড়ে বহুদূরে কেউ স্বজনহীন, আজ হল থেকে বের করে দিলো তাদের। ঠাণ্ডায়, কুয়াশায় এমন সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি করতে প্রশাসনের বিন্দুমাত্র বুক কাঁপেনি। হাজারো অভিভাবকদের উৎকণ্ঠায় রেখে তারা ভণ্ড রাজনীতির(লীগ-দল-শিবির!) হুকুম পালন করছে।

মুণ্ডু-বিহীন ছাপোষা প্রক্টর সিরাজ উদ-দৌল্লাহ গণমাধ্যমে বলেছেন, ভর্তি পরীক্ষার্থীরা হলে অবস্থানের কোনো যৌক্তিকতা নেই। অতীতে ক্যাম্পাসের পাহাড়ে উঠে নানা ধরনের দুর্ঘটনায় পড়েছে তারা। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর কোথাও এত অল্প খরচে উচ্চশিক্ষা হয় না। হোটেলে থাকার টাকা না থাকলে এসব ছেলের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার চিন্তা করা ঠিক নয়। তাদের উচিত ভোকেশনালে গিয়ে ভর্তি হওয়া। আর এমনিতেও প্রচলিত উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা দেশের কোন উপকারে আসছে না।

শিক্ষক নামের এইসব আমলারা শিক্ষা বাণিজ্যিকিকরণের কথা বলতে এখন আর রাখঢাক করেনা। প্রক্টর সাহেব আর প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা ভুলে গেছেন তাদের ছাত্র জীবনের কথা। ছাত্রদের নিরাপত্তা বিধানের মুরোদ নেই, খালি প্রশাসনিক ধাম্বিকতা! প্রশাসনের এমন অমূলক ব্যবস্থার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি!!!