ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

প্রতি বছর কমছে আমাদের দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার্থী সংখ্যা । অথচ একটি দেশের সুষম উন্নয়ন, সামগ্রিক অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি বিজ্ঞান শিক্ষা। একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতি কুসংস্কারমুক্ত, ধর্মান্ধমুক্ত (কিন্তু ধার্মিক), যুক্তিবাদী ও সহনশীল। এরা অন্যকে আঘাত করার আগে ভাবে, কেন আঘাত করছি? কিন্তু দিন দিন বিজ্ঞান শিক্ষার্থী কমার ফলে আমরা একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছি বটে, পারছিনা কুসংস্কার ও ধর্মান্ধমুক্ত হতে। কুসংস্কার ও ধর্মান্ধমুক্ত হতে শিক্ষাব্যবস্থায় এমন সব উপাদানের সংমিশ্রন থাকা যা শিক্ষার্থীকে করবে বাস্তববাদী ও প্রগতিশীল। “কুসংস্কার ও ধর্মান্ধ”মুক্ত না হলে জাতি কখনো প্রগতিশীল হয় না, হওয়া সম্ভবও নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী আমার এক পরিচিতজন তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন, ওর সাথে বদ জ্বীন থাকার অযুহাতে। বিবাহ বিচ্ছেদের দুই বছর পর দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানালে জিজ্ঞাসা করলাম–ছেলেটি কোথায়? বলল, ওর নানা বাড়ী থেকে পড়ালেখা করছে। ওর মা কি বিয়ে করেছে? না, ওর বিয়ের দরকার নাই। কেন? ওর সাথে যে জ্বীন আছে সে-ই ওসব কর্ম সেরে দেয়। আমার চিন্তাজগতের ওপর যেন ঠাটা( বজ্র) পড়ল। মনে মনে ভাবলাম শিক্ষিত লোকটির চিন্তাভাবনা কত তরল!

হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন, বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত কেউ কি এমন ভাবনা ধারণ করে না? যদি করে তবে তা শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির জন্য। কেননা সুশিক্ষা সর্বদাই প্রগতিশীল। বিজ্ঞান শিক্ষাকে অনেকে ( শিক্ষাব্যবস্থার অন্যান্য শাখা হতে) আলাদা করে ভাবেন। এটি ঠিক নয়। বিজ্ঞান শিক্ষা মানে- প্রকৃতিকে (the nature) জানা। আপনি গণিত, পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান হিসেবে যা কিছু পড়ছেন – এতে প্রকৃতির বর্ণনা( জ্ঞান) ছাড়া অন্য কিছু নেই। আর ” প্রকৃতি হচ্ছে বিশুদ্ধ জ্ঞানের বিস্ময়কর ভান্ডার”। বিজ্ঞান কখনও ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। যদি মনে হয় ধর্ম ও বিজ্ঞান চুম্বকের দুই মেরু, তবে বলব আপনার অর্জিত জ্ঞান গতানুগতিক। বিশেষ কিছু নয়। ধর্ম সম্পর্কে শুধু এটুকু বলতে চাই– ধর্ম মানবিকীকরনের একটি মহান উপায়।

শিক্ষা এখন মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টির অবস্থান থেকে সরে এসেছে। অন্তত: আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাও এর উদ্দেশ্য, বিধেয় পর্যালোচনা করে এ কথা বলা যায়। তা না হলে প্রাথমিক সমাপনী পরিক্ষার প্রশ্নপত্র কেন বাজারে পাওয়া যাবে? আমাদের অসুস্থ প্রতিযোগীতার যাতাকলে পড়ে শিক্ষা এখন পণ্যে পরিণত হয়েছে। পণ্য তো সবাই কিনতে পারেনা। যার আর্থিক সার্মথ্য যত বেশি তার কাছে শিক্ষা-পণ্য তত বেশি থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক।
আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি শিক্ষার মানবিক দিকটি অনুধাবন করতে না পারলেও অর্থনৈতিক দিকটি তাদের আরাধ্য। সনদধারী উচ্চ শিক্ষা, উচ্চ স্কেলের চাকরি, বাড়ী, গাড়ী তাদের শিক্ষাজীবনান্তের অলঙ্কার। এ সব অর্জন না হলে পুরো শিক্ষা জীবনটাই যেন ব্যর্থ। এ ধরনের মনোবৃত্তির মূল কারন – অর্থের দাসত্ব, পুজিবাদী আগ্রাসন।

বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য যে সব নিয়ামকের প্রয়োজন তা হল- মেধাবী শিক্ষার্থী, আর্থিক সামর্থ্য, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, উপযুক্ত শিক্ষক ইত্যাদি। মেধাবী বা মনোযোগী বা পরিশ্রমী শিক্ষার্থী বাছাই করার দায়িত্ব শিক্ষকদের। বাছাইকৃত শিক্ষার্থী আর্থিক সামর্থ্য থাকা বাঞ্ছনীয়। শিক্ষা মৌলিক অধিকার হলেও, যেহেতু আমাদের রাষ্ট্র ব্যয়ভার সংকুলান করতে পারছে না, ফলে আমাদেরকেই অর্থাৎ শিক্ষার্থীর অভিভাবকে এর দায়ভার মেটাতে হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে মাধ্যমিক স্তরে নবম-দশম শ্রেণির জন্য যেসব গণিত ও বিজ্ঞান বই চালু রয়েছে সেগুলো পড়ে ভাল রেজাল্ট করতে হলে প্রত্যেক বিষয়ে প্রাইভেট পড়া প্রয়োজন। অথবা কোচিং সেন্টারে যেতে হয়। কেননা ক্লাসে টিচাররা মনোযোগ দিয়ে পড়ান না। তাছাড়া এখন শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও অত্যধিক। সেক্ষেত্রে শিক্ষকের পক্ষে আরামদায়ক পাঠদান সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত: অগোছালো কারিকুলাম। অর্থাৎ শিক্ষার্থী প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোথায় কী শিখবে তা নির্দিষ্ট নয়। শিক্ষার্থীর মেধা-বিকাশে ও বর্তমান প্রযুক্তির যুগে তাল মিলিয়ে চলার মত কারিকুলাম আমাদের নেই। তৃতীয়ত: দুর্বোধ্য বক্তব্য। যেখানে মাতৃভাষার মাধ্যমে বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষার্থীর আগ্রহ দিন দিন বাড়বে,সেখানে আমাদের পরিসংখ্যান কমছে। কারণ ডক্টরেটবৃন্দ পাঠ্যপুস্তক রচনার সময় ভাবেন এগুলো পড়বেও ডক্টরেটরা। কোমলমতি শিক্ষার্থীর কথা তারা বেমালুম ভুলে যান। যেহেতু শিক্ষার্থী নিজে পড়ে কোন তথ্য উৎঘাটন করতে পারে না, ফলে বাধ্য হয়েই তারা প্রাইভেট পড়ে অথবা কোচিং-এ যায়। কিন্তু কয়জন অবিভাবকের পক্ষে বিজ্ঞানের সব বিষয়গুলো আলাদা আলাদা প্রাইভেট টিউটর দেওয়া সম্ভব। পাঠ্যপুস্তকগুলো ঘেটে দেখা গেছে, একটি বিষয় বুঝাতে গিয়ে ডক্টরেটবৃন্দ অনেক কথা বললেও মূল কথাটি ঠিকই আড়ালে রয়ে গেছে। অথবা কথাটি সহজ করে বলতে পারেননি। এই সহজবোধ্যতার অভাবে তৈরি হয়েছে বিজ্ঞান শিক্ষার নাজুক পরিস্থিতি। এই সমস্যাটির আশু সমাধান দরকার। বিজ্ঞান শিক্ষা কারিগরি শিক্ষার জননী।আবার কারিগরি শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নের চাবিকাঠি। এ ধরনের বাস্তবমুখী শিক্ষা পদ্ধতির যে কোন ত্রুটি ব্যক্তি, সমাজ তথা দেশের জন্য ক্ষতিকর।

 windows 7 iso  |
 Windows 7 Home Premium Product Key  |
 Windows 7 Ultimate product key  |
 Windows 7 key  |
 Windows 10 Product Key Free Download  |
 Windows 7 Ultimate Product Key Free Download  |
 Windows 10 Product Key  |
 Download Windows 7 ISO serial key  |
 Windows 10 product key  |
 office 2013 pro key  |
 Windows 10 iso free download  |
 windows 8.1 product key generator  |
 Windows 7 Ultimate Download ISO  |
 Windows 7 Professional Key  |
 Windows 7 Home Premium CD Key  |
 Windows XP Product Keys  |
 Windows 10 Pro Serial Key Free Download  |
 Windows 7 Ultimate ISO  |
 Windows XP SP3 free Download  |
 Windows 7 Product Key 2016  |
 Office 2010 Professional Free Download  |
 Windows 10 Pro Torrent  |
 Download Windows 7 ISO  |
 installed windows 8.1 Product Key  |
 Windows 10 Free Download  |
 Windows 7 Product Key Free For You  |
 Windows 7 Ultimate ISO Download  |
 Windows 7 Home Premium ISO  |
 Windows 7 Product Key 32bit/64bit  |
 Windows 7 Product Key  |
 Windows 7 Home Premium Product Key  |
 Buy Windows 7 Pro Key  |
 Buy Windows 7 Key  |