ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশের প্রধান অসামরিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা বাংলাদেশ পুলিশ। ইতিহাসের একটা গবেষণা দেখায় যে, পুলিশ ছিল পুরাতন সভ্যতা। বাংলাদেশ পুলিশ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের পুলিশ বাহিনীর মতো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধান, অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। তারপরও অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ পুলিশ সকল ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

অনুসন্ধান কৌশল এবং তদন্ত কাজে পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য এ কথা মিথ্যা নয়। তবুও বাংলাদেশ পুলিশ প্রায় তদন্ত কাজে অবহেলা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এর মূল কারণ কি?

ফেসবুক তথ্য মাধ্যম হতে পাওয়া, গত ০৭-০৫-২০১৭ ইং সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-৩, অধি শাখা হতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় রজ্জুকৃত তদন্ত ব্যয় পুণঃনির্ধারণ নির্দেশে অর্থ বিভাগের সম্মতিজ্ঞাপন পত্রে লিখিত আদেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত ব্যয়ের হিসাব। সেখানে বলা হয়েছে ডাকাতি বা খুন মামলার তদন্ত খরচ বাবদ ৬,০০০/=টাকা, অপহরণ বাবদ ৫,০০০/=টাকা, দস্যুতা, অপমৃত্যু মামলা বাবদ ৪,০০০/=, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে রজ্জুকৃত মামলা বাবদ ২,০০০/=, এসিড নিক্ষেপ সংক্রান্ত মামলা বাবদ ২,০০০/=টাকা, দ্রুত বিচার আইনে রজ্জুকৃত মামলা বাবদ ২,০০০/= টাকা, অন্যান্য মামলা বাবদ ১,৫০০/= টাকা।

অপরাধের ধরন অপরাধীর চতুরতা ও বর্তমান বাজারের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বগতি অনুযায়ী উপরে উল্লেখিত মামলা তদন্ত কাজে ব্যয়ে টাকার পরিমাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত তা আমার বোধগম্য নয়।

প্রসঙ্গত বিভিন্ন মামলার তদন্ত ভার সাধারণত একজন এসআই পদ মর্যাদার পুলিশ সদস্যের উপর ন্যস্ত হয়, বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে থাকেন। মামলা তদন্ত কাজ তরান্বিত করতে মামলা তদন্ত ব্যয়ের খরচ পুণঃনির্ধারন প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। নতুবা মামলা তদন্ত কাজের ধীর গতি, ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ কোনদিনই সম্ভব নয়।