ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

অদ্ভুত এই খবর পড়লাম banglanews24 এ৷ খবরে প্রকাশ, মেহেরপুর জেলার ডিসি ঐ জেলার নির্বাচন কর্মকর্তাকে ডেকে পাঠান৷ তার আসতে দেরি হওয়ায় ডিসি অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে তার অফিস থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে আসেন আর.ডি.সি’র কাছে সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রেখে চড়-থাপ্পর মারেন এনডিসি আসলাম উদ্দীন, সহকারী কমিশনার অবিদিয় মার্ডি, শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা জুবায়ের আহম্মেদ, সুজিত হাওলাদার মিলে৷

একজন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারপিটের অধিকার সহকারী কমিশনারগণকে কে দিয়েছে? তারা কি নিজেদের পাবলিক সার্ভেন্ট মনে করেন না? তারা অন্যান্য সার্ভিসের কর্মকর্তাদের কি নিজেদের অধীনস্থ মনে করেন? খবরে প্রকাশিত ঘটনাটি তাদের এরকম মানসিকতাই প্রকাশ করে৷ তারা মনে করেন তারা জনগণের শাসক৷ এজন্যই তারা ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) শব্দটির চেয়ে জেলা প্রশাসক শব্দটিকে বেশি পছন্দ করেন৷ তারা ইতোমধ্যেই ডিসি সম্মেলনে দাবী করে বসেছেন যেন জেলা পর্যায়ের সকল অফিসের প্রধানগণ কর্মস্থল ত্যাগের পূর্বে ডিসিদের পূর্বানুমতি নেন৷ অদ্যকার প্রকাশিত সংবাদের ঘটনার মাধ্যমে তারা আরেকবার প্রমাণ করলেন, তারা নিজেদের কি মনে করেন৷

উপরোক্ত ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্ট্যান্ড রিলিজ (তাৎক্ষণিক বদলী) করা হয়েছে৷ কিন্তু আমরা চাই তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা করা হোক৷ কারণ তাদের এরূপ কাজ শুধু পেশাগত শৃঙ্খলা ভঙ্গই নয়, ফৌজদারী অপরাধও বটে৷ এরূপ ঘৃন্য কাজ করে কেউ যেন স্ট্যান্ড রিলিজ নামক হাস্যকর সাজা ভোগ করে বেচে না যায়, সে জন্যই তাদের দৃষ্টান্তমূলক ফৌজদারী বিচার দরকার৷