ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গত ২১/৩/১২ ইং তারিখে “banglanews24.com” এর খবরে জানতে পারলাম, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থানার এক এস. আই ও ও. সি’র বিরুদ্ধে আদালত নিজ থেকেই একটি অভিযোগ প্রস্তুত করে তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করার জন্য একই থানায় পাঠিয়েছেন৷ সেই সাথে মামলার ঘটনার বিষয়ে দুদক কর্তৃক তদন্ত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন৷ ঐ থানার সংশ্লিষ্ট এস. আই একটি মামলায় ফজলুর রহমান নামক এক ব্যক্তিকে সন্দেহবশত গ্রেফতার করেন৷ তাকে আদালতে চালান দেয়ার সময় তিনি আসামী ফজলুর রহমানের ফরোয়ার্ডিংয়ে উল্লেখ করেন যে, ফজলুর রহমান অপর একটি মামলার এজাহার নামীয় আসামী৷ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ফজলুর রহমান উক্ত অপর মামলাটির ভিকটিমের গর্দানে কোপ মেরেছে৷ আদালত উক্ত বিষয় যাচাই করার জন্য উক্ত অপর মামলার নথি যাচাই করে দেখতে পান যে, ঐ মামলার এজাহারে আসামী ফজলুর রহমানের নাম নেই৷ সে ভিকটিমের গর্দানে কোপ মেরেছে মর্মে কোন বক্তব্যও এজাহারে ছিল না৷ আসামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য আদালতে দাখিল করার জন্য আদালত উক্ত এস.আই এবং সংশ্লিষ্ট থানার ও.সি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রস্তুত করেন৷ খবরের শেষে বলা হয়েছে যে, উক্ত ফজলুর রহমানের স্ত্রী ২০১১ সালে ঘোড়াঘাট থানার কতিপয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগে একটি মামলা করেছিলেন৷

এরপর গত ২৩/৩/১২ ইং তারিখে একই পত্রিকার খবরে জানতে পারলাম, ও.সি ও এস.আই এর বিরুদ্ধে ঐ মামলা যেন থানায় রেকর্ড না হয়, সেই তদবির করার জন্য দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দিনাজপুরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর বাড়ীতে গিয়েছিলেন৷ একই খবর পরেরদিন দৈনিক সমকালে ছাপান হয়েছিল৷ এরপর ২৬/৩/১২ ইং তারিখের “The Daily Star” পত্রিকার খবরে জানতে পারলাম যে, একটি রিভিশনের প্রেক্ষিতে দিনাজপুরের জেলা ও দায়রা জজ উক্ত মামলা যেন রেকর্ড না হয়, সে মর্মে আদেশ দিয়েছেন৷ তার এই আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট ও. িস ও এস. আই এর বিরুদ্ধে থানায় আর মামলা হল না৷

খবরের ধারাবাহিকতায় আমরা যে তথ্যগুলো জানতে পেলাম, তার প্রেক্ষিতে আমাদের মনে হয়, বিষয়টি কিছুটা খতিয়ে দেখা দরকার৷

খবরের লিঙ্ক:

www.banglanews24.com

www.samakal.com.bd

www.thedailystar.net