ক্যাটেগরিঃ মুক্তমঞ্চ

যে কোন কাজই শুরু করবার আগে লক্ষ্য স্থির করে নেওয়াটা বোধহয় জরুরী অর্থাৎ কি করবেন, কি করতে চান ?

ভবিষ্যত দেখবার ক্ষমতা আমাদের কারোরই নেই, জানিনা কি অপেক্ষমান আমাদের জন্যে। কিন্তু তাই বলে যে হাতে হাত রেখে বসে থাকব সেটা কেমন কথা!!!
অন্তত কিছু পদক্ষেপতো তৈরি করে রাখতে পারি। ভবিষ্যতের সম্পর্কে কিছুটা আভাস রাখা শুধুমাত্র প্রফেশনালদের জন্যেই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় না, শিক্ষার্থীদের জন্যও তা সমান গুরুত্ব বহন করে।

মানুষ সবসময়ই তার ভবিষ্যত সম্পর্কে সচেতন এবং এর জন্যে তার বিনিয়োগটাও এমন হয়ে থাকে যাতে করে কিছুটা স্বস্থি বোধ করা যায় যে ”ভবিষ্যত উজ্জ্বল যতটা সম্ভব”। আবার কিছু মানুষ জড়িয়ে পরে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রের সাথে, কিছু কৌশলের সাথে এমনকি নামও পরিবর্তন করে ভবিষ্যতের উজ্জ্বলতা নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে। অথচ এসবের কি আদৌও কোন প্রয়োজন আছে আমাদের?

কেনেথ কাওয়ানের মতে, ”ভবিষ্যতের সম্পর্কে ভবিষ্যত বাণী করার চেয়ে সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা হচ্ছে এটি তৈরি করা”।

কেননা তার প্রশ্ন হচ্ছে :
. কি ধরনের ভবিষ্যত আপনি আপনার জন্যে চিন্তা করেন ?
. আর বর্তমানে তা বাস্তবায়নের জন্যে আপনি কি করছেন ?

একমাত্র যখনই আমরা নির্ধারন করতে সক্ষম হব যে আমাদের ভবিষ্যত কেমন হবে, তখনই আমরা এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে পারব। এমন বহু সংখ্যক মানুষ আছে যারা তাদের কাজের ক্ষেত্রে কোন ধরনের প্রেরনা বা উৎসাহ পায়না অর্থাৎ তারা আন মোটিভেটেড, শুধুমাত্র একটি বিষয় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা না থাকার কারনে যা হচ্ছে ”কি অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য আছে তাদের কাজের পেছনে” ।

”তুমি ভবিষ্যতে শুধুমাত্র হোঁচট খেতে পারনা। তুমি তৈরি করবে তোমার নিজের ভবিষ্যত।” — রজার স্মিথ।

যখন আপনি একাগ্রচিত্তে আপনার ভবিষ্যত কর্মপন্থাকে নির্ধারন করবেন এবং এর পেছনে শ্রম ব্যয় করতে থাকবেন, আপনি দেখতে পারবেন ফলাফল ক্রমশই পজিটিভ হচ্ছে। আর এটি কোন অলৌকিকভাবে সম্পন্ন হবেনা, সম্ভব হবে এর পেছনে আপনার ব্যয়কৃত দৃঢ় কর্মসাধনার কারনে।

অতএব, নিজের উপর আস্থা রেখে নির্ধারন করুন আপনার ভবিষ্যত, ডিজাইন করে তৈরি করুন নিজের মত করে আর তারপর শুরু করে দিন কঠোর পরিশ্রম লক্ষ্যটিকে অর্জন করবার জন্যে।

সাফল্য আপনার……কে ঠেকাবে ???