ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

আমার ছোট আপুকে নিয়ে আজকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে যাচ্ছিলাম।গত বছর গাড়ি অ্যাক্সিডেন্ট করে ডান পা ভেঙেছে।দুবার অপারেশন করাতে হয়েছে। প্রায় ১ বছর সে হাঁটে লাঠি দিয়ে। (নিজের কর্মঠ বোনকে এমন দেখতে কার ভালো লাগে?)

যাই হোক্, ওর অ্যাপয়েন্টমেন্ট দুপুর ১২টা। রওনা দিলাম ১০টাতে। ভালো কথা জ্যাম আর জ্যাম………।

সাথে থাকা আরেক বোনের ইউরিন ইনফেকশন। এই জ্যামের ভিতর গাড়ি পার্ক করার কোন জায়গা পাচ্ছিনা সবচেয়ে কষ্টকর কথা পাবলিক টয়লেটের কোন ব্যবস্থাই নেই। কতটুকু হাস্যকর!! এমন না যে আমি হাল হকিকত জানিনা, তা নয়। ব্যাপার হচ্ছে যে আয়োজন করে ডিসিসি ভাগ করল, অধিক সুবিধা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে তা যেন বাস্তবায়ন করা হয়। নিজের দেশকে, নিজেকে… বর্হিবিশ্বে আর হাস্যকর করতে চাইনা। টয়লেট না থাকলে কেমন দুর্ভোগ হতে পারে আজ নিজের চোখে, অভিজ্ঞতা দিয়ে আরোও ভালো করে অনুধাবন করলাম।

সে যাক্, মহা জ্যাম ঠেলতে ঠেলতে মহাখালি ফ্লাইওভারে যখন উঠলাম, ঘড়ির কাঁটা তখন ১ টায়। আরোও হাস্যকর নয়!!
গাড়ি থেকে নেমে একটা ছবি তুললাম।

বোনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট মিস হয়ে গেল কিনা সেটাতো চিন্তা হচ্ছিলই কিন্তু কানে লাগছিল, কিছু দূরে থাকা অ্যাম্বুলেন্সের আওয়াজ। আমার অতি নিকট এক আত্মীয় এভাবে পথেই মারা যান, ট্রাফিক জ্যামের কারণে। জানি না আজ কার আত্মীয় ছিল!!

উত্তরা ছাড়া ঢাকার মেইন দিকটায় কম যাওয়া হয়। রাস্তা প্রায় চিনিইনা বলতে গেলে। হঠাৎ করে বাম সাইডে তাকিয়ে দেখি একি!! এবার আরো হাসি পেল। নিলাম একটা ছবি।

ছবিটি ভালো করে লক্ষ্য করুন। এই দলটি হয়তবা অনেক ভালো কাজ করেছে দেশেরে স্বার্থে। কিন্তু তাই বলে স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের ব্যবহ্ত লোগোটি চোখে লাগার মত। আমার লেগেছে আপনাদের লাগল কিনা জানি না।

অবশেষে এই আমার দিন। ওহো, বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম আমরা অবশেষে পঙ্গুতে যেতে পেরেছিলাম ২ টায়। আমার নিজের বোন ডাক্তার বিধায়, আর সেই ডাক্তারের বদ্যনতার কারণে তিনি ছিলেন কষ্ট করে। (নিজস্ব ক্লিনিক আছে না!! এতক্ষণ উনি আবার থাকেন না।)