ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

“খেলার সাথীরা কোথা আজ তারা ভুলিয়াও গেছি নাম”।

একটা চিরন্তন ভাললাগা, ভাবনায় ডুবানো, এক মোহনীয় আকর্ষণ, কী এক অব্যক্ত দরদ মিশানো একটা সার্থক লাইন। যে লাইনটা একজন মানুষকে বাঁচাতে পারে। পারে চির অমর করে রাখতে। হাজার বছর আলো হয়ে জ্বলবে এই লাইন। অতীতের দিন। ফেলে আসা স্মৃতি। প্রাথমিক বিদ্যার বন্ধু। নদীর চড় ঘুরে বেড়ানো। লাটিম খেলা। মার্বেল নিয়ে হট্টগোল। স্কুল পালানো। সরষে ক্ষেতে গড়াগড়ি। ধানের পাতায় লুকোচুরি। এককথায় ঘর থেকে দোর। দোর থেকে বাহির সব-ই মনে করিয়ে দেয়। ভাবনার জালে জড়িয়ে দেয় পাল। ভাল লাগাকে নতুন করে ঘুড়ির সুতোয় জড়ায়। নদীর জলে হারিয়ে যাওয়া। হারিয়ে যাওয়া ফড়িং-এর পিছু পিছু। কী এক রহস্যে ঘেরা অতীত। চোখে জল আসে। আবার হাসি পায়। সব মিলিয়ে আমার স্কুল পালানো ছেলেবেলা। মায়ের ধমকে দুপুরের রোদ পিঠে করে ঘুরে বেড়ানো। সব-ই এই একটি লাইন। মাত্র একটি চরণ

০২. সুফিয়া কামাল। কবি সুফিয়া কামাল। সহজ সরল কবি। প্রকৃতির কবি। কবি আমাদের “সাঝেঁর মায়া”র। সাঝেঁর মায়ার মত আমাদের তিনি মায়ায় জড়িয়েছেন। জড়িয়েছেন আদরের চাদরে। “মায়া কাজল” দিয়ে আমাদের চোখে মুখে। “কেয়ার কাঁটা”য় করেছেন সজাগ। জাগিয়ে তুলেছেন ঘুম থেকে। আমরা আজও জেগে আছি। আছি লাল সবুজের পতাকা হতে।

০৩. আজ এ মহান কবির জন্মদিন। জন্মদিনে আমরা তাকে স্মরণ করি। আর আমরাও গেয়ে উঠি তার কবিতায় তাকে ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না পারি না কোনমতেই। “রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোন মতে”।