ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 

একটা সময় ছিল মোরগের কক্করককক্ কক্করককক্ ডাকে ঘুম ভাঙ্গত। চড়ুই, দোয়েল,শালিক,ঘুঘু জানা অজানা কত বিচিত্র পাখির কিচির মিচির ডাকে মুখরিত হত প্রতিটি সকাল। প্রকৃতি যেন প্রকৃতির সূচনা করত। আজও সূর্য উঠে সেই পূর্বাকাশে। বাকি সব যেন হারিয়ে গেছে।


এগিয়ে চলছে পৃথিবী। বিবর্তনের বৈচিত্রময়তায় আমরা ঘুরপাক খাচ্ছি। আজকের যান্ত্রিকতা ঘুম সমাপ্তির ধারাবাহিতাকে কেড়ে নিয়েছে। তাই আজ আর প্রকৃতি ঘুম ভাঙ্গায়না; এখন ঘুম ভাঙ্গে মোবাইলের এলার্মে। আগে বাসায় বাসায় বাগান ছিল; সেই বাগানে ফুল,ফল ছিল। আজ তা শোভা পায় বাসার বারান্দায়।
আমরা বৃক্ষ নিধন করে ইমারত বানানোর প্রতিযোগিতায় যেন লিপ্ত। অতি মুনাফার আশায় প্রকৃতিকে ছুড়ে দিয়েছি আস্তা-কুড়ে। আমরা ভুলে গেছি যে প্রকৃতির ভারসাম্যতা আমাদের জীবনের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এমন এক সময় আসবে যখন আম গাছ চিনতে আমাদেরকে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যেতে হবে। আর পশু-পাখি দেখতে হবে ফার্মে অথবা চিড়িয়াখানায়।
আধুনিকায়নের বিরোধিতা নয়। বিরোধিতা অপরিকল্পিত নগরায়নের। আর দেরী নয়। এখনই সময় সংশোধনের। তা না হলে বাস অনুপযোগী পৃথিবীর বাসিন্দা হবে আজ এবং আগামী প্রজন্ম। আর এ জন্য দায়ী আমরাই।