ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

শান্তি প্রিয় মুক্তিকামী একটি দেশ, যার নাম বাংলাদেশ। ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে যে সমাজের মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলাই যাদের স্বভাব । সৌহার্দ,সম্প্রীতি,ভালবাসা যাদের বেঁচে থাকার সর্বোচ্চ শক্তি। এটাই ছিল বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংস্কৃতি। এটাই প্রত্যেক বাংলাদেশীদের অহংকার ও গর্ববোধের বিষয়।

আজ আকাশে কালো মেঘ। কুচক্রীদের আনাগোনা। সাপের বিষাক্ত ছোবলে আজকের সমাজ আক্রান্ত। মদদপুষ্ট দালাল,মীরজাফর বাংলার সমাজে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিষ ঢেলে দিচ্ছে।কিছু পেশাজীবি, কতিপয় রাজনীতিবিদের শিষ্ঠাচার বহির্ভূত মিথ্যাচার রাজনীতিকে কুলষিত করছে। ভুল নির্দেশনায় নতুন প্রজন্ম আজ ভ্রান্ত পথে পরিচালিত।

কিছুদিন আগেও দেশের মাটিতে কোনো ভিনদেশী দেখলে সাধারণ মানুষ চেয়ে থাকত। আতিথেয়তার সুযোগ পেলে আন্তরিকতার কোনো কমতি হতনা। আজ বিদেশী হত্যার ঘটনাও ঘটছে। মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলা,মন্দিরে হামলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটছে।মানুষের সাথে মানুষের বিভেদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিভেদ সৃষ্টিতে কেউ ধর্ম ,কেউ বা জাতীয়তাবাদ আবার কেউ ইতিহাস ব্যবহার করছে।বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর, অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের উদ্দেশে কোনো মহল লিপ্ত।

নাশকতা এবং জঙ্গিবাদ থেকে দেশকে এবং দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হবে। আসন্ন এই মহামারী থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রীভূত হয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করতে হবে। ক্ষমতার জন্য নয়, দেশের আপামর জনসাধারণের জন্য রাজনীতি করতে হবে।

তা না হলে আগামীর বাস্তবতায়: বিবিসি ব্রেকিং নিউজ ১৪.০৪.২০১৭/ বাংলাদেশ :পহেলা বৈশাখে আত্মঘাতী বোমা হামলায় রমবা বটমূলে ৮৮ জন নিহত এবং তিন শতাধিক আহত এর মধ্যে ৫০ জনের অবস্থা গুরতর।সি এন এন ব্রেকিং নিউজ ………….২০১৮/ বাংলাদেশ :মসজিদে জুম্মার নামাজে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৯ জন নিহত, আহত ৭১ জন এর মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা গুরুতর যার মধ্যে ১২ জন শিশু।

আজ আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সফল,সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ রেখে যাবার দায়িত্ব আমার, আপনার এবং আমাদের সবার।