ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

কমলাপুর রেল স্টেশনে নেমে উবারের গাড়ি নিয়ে রওনা হলাম ফুলার রোডের দিকে। রাস্তায় খুব জ্যাম, প্রায় চার ঘন্টা ধরে জ্যামে আটকা। কিছুক্ষণ পরে দেখি স্কুল ড্রেস পরা দুই জন মেয়ে আসলো গাড়ির সামনে। ড্রাইভারকে গাড়ির কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে বললো এবং সব ঠিক আছে দেখে ছেড়ে দিল।

বিষয়টাকে নিয়ে অনেকের বিরূপ মন্তব্য শুনতে পেলাম। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে এটাকে সাধুবাদ জানাই।

ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন এসব চালকরাই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। কিন্তু সমস্যা হলো, যেসব গাড়ির কাগজপত্র ঠিক আছে তাদের কোনও আইডেনটিটি দেওয়া হচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগকে গঠনমূলক কাজে লাগাতে হবে। সেই সঙ্গে খেয়াল রাখতে কোন বিশেষ গোষ্ঠী এটিকে যেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না পারে।

শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বৈধ গাড়িগুলোকে স্টিকার প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজটি অবশ্যই পুলিশ ও বিআরটিএ’র করার কথা।

সেই সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করতে হবে। অনেক ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার আছে, যারা বলে শুধু টাকা দিলেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায়। এরকম টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ করে প্রকৃত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরকেই লাইসেন্স দিতে হবে।