ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

দু’মাসের মাথায় সরকার পুনরায় সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল। এই সিদ্ধান্তটি আদৌ জরুরি ছিল কিংবা কতটুকু সু-বিবেচনা প্রসূত হল? বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি ইতিমধ্যে ১১ শতাংশ ছাড়িয়েছে, এর মধ্যে আবারো জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দব্যসহ সকল প্রকার দ্রব্যের দাম বাড়বে যা মুদ্রাস্ফীতিকে আরো উসকে দেবে। অথচ, কেন্দ্রিয় ব্যাংক সংকোচনশীল মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর জন্য। এর ফলে বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্যসংকট চলছে, শেয়ার বাজারে অব্যাহত পতন এবং অস্তিরতার জন্যও যা অনেকাংশে দায়ী। অর্থাৎ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরষ্পর বিরোধী অবস্থায় কাজ করছে- যা মোটেয় কাম্য নয়।

তাছাড়া বিগত দেড় মাস আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য আমরা দেখেছি। লিটার প্রতি দু’টাকা বৃদ্ধির পর বাস ভাড়া যে হারে বেড়েছিল এবার কি অবস্থা হয় খোদায় জানে! অথচ তখনই একসাথে সমন্বয় করে দাম বাড়ালে জনগণ বারে বারে পরিবহণ ব্যাবসায়ীদের হাতে হেনস্তা হওয়া হতে রেহায় পেত। কদিন আগেই আইএমএফ এর প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর জন্য প্রেসক্রিপশন দিয়ে গেল, তার দু’দিন পরই আমরা তেলের দাম বাড়ালাম। হে ইশ্বর, আমাদের সরকার নিজের ভালো মন্দ বোঝার মত সাবালক (সৎ?) কবে হবে?