ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার, হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে

বিজ্ঞান মানুষকে অল্প আয়োজনে ব্যাপক কিছু সৃষ্টি করার উপায় জানায়। [পারমাণবিক বোমার ওজন খুব কম, কিন্তু এটা পুরো একটা শহরকে ধবংস করে দেয়।] হুমায়ূন আহমেদ লিখতেন অল্প ছোট ছোট কথা, কিন্তু তা মানুষের অন্তরে প্রবেশ করে অনেক বড় আনন্দ অথবা দুঃখ ঘটাত। সাইন্স পড়ার সুবিধাটা হুমায়ূন আহমেদ পুরোটাই উপভোগ করেছেন এবং কাজে লাগিয়েছেন।
আলো আর অন্ধকার কোনটাই দেখা যায় না, আবার দু’টাকে এক সাথে পাওয়াও যায় না। হুমায়ূন আহমেদের আলো যখন চোখে পড়ে তখন তার অন্ধকার আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ সে একটা নক্ষত্র।

গোলাপের পাপড়ি দিয়ে আঁকা অসংখ্য তরুণীর প্রিয় হিমু এবং রংধনুর স্বপ্ন দিয়ে গড়া অগণিত তরুণের প্রতিনিধি হিমু-এই দুই হিমুর কোন হিমুই আর কোন দিন হলুদ পাঞ্জাবী পড়ে খালি পায়ে রূপার হাত ধরে জোছনাতে ভিজতে বেরুবে না।
চলে যায় বসন্তের দিন। অথচ লোকালয়ে হিমু নেই, এ দুঃখ ভোলার নয়।