ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

ধরি আপনি ভালো সমাজ ব্যবস্থায় সুন্দর স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠেছেন। এবার সময় হয়েছে নিজের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজের ও আশেপাশের মানুষের কষ্ট দূর করার। আপনি চিন্তা করে দেখলেন পেশা হিসেবে শিক্ষকতা, ডাক্তারি এবং আইন অনেক সুন্দর ও সম্মানের। পারলে আপনি তিনটি পেশাই চর্চা করতে চান, কিন্তু আপনি চিন্তা করে দেখলেন এই তিনটি পেশার মধ্যে সর্বোচ্চ দু’টি পেশাকে আপনি জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। আপনি বেড়ে উঠেছেন বিজ্ঞান চর্চার মধ্য দিয়ে। সুতরাং ডাক্তারি আপনার জন্য খুব-ই উপযোগী। ডাক্তার হিসেবে যখন অনেক বড় হয়ে যাবেন, তখন সময় ও সুযোগ থাকলে আপনি শিক্ষক হবার ইচ্ছাটাও পূরণ করতে পারবেন। আপনি খুব শীঘ্রই ডাক্তার হবার সিদ্ধান্তে আসতে চান। আমি এখন আমার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে আপনার করণীয় নির্ধারণ করে দিচ্ছি। করণীয়গুলো আপনার একান্ত কর্তব্য সে দাবী আমি করছি না, তবে আমি বিশ্বাস করি এ করণীয়গুলো আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণকে প্রভাবিত করবে এবং ত্বরান্বিত করবে।

আমি আপনাকে ৪টি প্রশ্ন করব। এই ৪টি প্রশ্নের যে কোন ৩টির উত্তর হ্যাঁ-সূচক হলে আপনি ডাক্তার হবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।
প্রশ্নঃ
#১:
পেশাটার প্রতি আপনার আসক্তি, ভালোবাসা ও সম্মানবোধ আছে কি?
#২:
বিষয়বস্তুর গভীরে যাওয়ার প্রয়োজনে পড়াশোনা উপভোগ করার মানসিকতা আছে কি?
#৩:
এ পেশা কি আপনাকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করবে?
#৪:
খ্যাতি নয়, সেবা করা ও জীবিকা নির্বাহ করাই এই পেশা নির্বাচনের মূল কারণ- বিষয়টা কি এ রকম?

এবার নির্বাচক পক্ষের কর্তব্য নির্ধারণের সুযোগ গ্রহন করি। ধৃষ্টতা হয়ে গেল কি না জানি না, আমি জনগন, গনতন্ত্র আমাকে মনের ইচ্ছা ও কথা প্রকাশ করতে উৎসাহ যোগায়।।
কর্তৃপক্ষ দেখবেন প্রার্থীরঃ
#১:
পেশা-ভিত্তিক বিষয়ে জ্ঞান ও মানসিকতাটা ভালো কিনা।
[খুব বেশি প্রযোজ্য না হলে অংক, বাংলা, ইংরেজী, সাধারণ জ্ঞান কম জানলেও চলবে। প্রার্থীরা যদি কথাশিল্পী না হয়, তাহলে তাদের বাংলা ইংরেজীর নম্বর ততটা গুরুত্ব বহন করে না। বাংলা-ইংরেজী ভালো লিখতে, বলতে ও বুঝতে পারলেই হবে। কথাশিল্পী হলেও বাংলা ইংরেজীর বেশি নম্বর জরুরী না। আমার ব্যক্তি জীবনে দেখা সবগুলো কথাশিল্পী স্কুল জীবনে বার বার বাংলায় ফেল করেছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যাবস্থায় ইংরেজী ও বাংলায় উচ্চ নম্বর শিক্ষার্থীর ভালো স্মরণশক্তি, সুন্দর হাতের লেখা, (সেরা গুরুগৃহ) কোচিং সেন্টারগামীতা এবং গৃহশিক্ষক নির্ভরতার ইঙ্গিত দেয়। ]
#২:
মস্তিষ্কটা উন্নত কিনা।
[স্মরণশক্তি বেশি থাকা অপ্রয়োজনীয়; যারা সারা জীবন পড়ে, মাথায় রাখে, স্মরণে রাখে (অথচ মনে রাখে না) তারা বাস্তব জীবনে প্রয়োজনের সময় এত কিছুর ভিড়ে দরকারি জিনিসটা খুঁজে পেতে সময় লাগায়। কোন জ্ঞানের সাথে কোন মেধা জোড়া লাগিয়ে কি বিজ্ঞান তৈরি করতে হবে তা আইন্সটাইনের খুব ভালো মনে থাকত, কিন্তু তিনি প্রায়শ তার নিজের বাসার ঠিকানাটা ভুলে যেতেন। আমার বক্তব্য এমন না যে, কেউ ঠিকানা ভুলে গেলে সে আইন্সটাইনের মর্যাদা পাবে। {আমার আভিমতঃ ১০০ টা বই পরলাম কিন্তু সেই বইগুলোর ১টা পৃষ্ঠাও মনে রাখলাম না বা জীবনে কাজে লাগালাম না বা চর্চা করলাম না – এ রকম শিক্ষালাভ দরকার নাই। আমরা আবশ্যই পড়ব। আমরা এক পৃষ্ঠা পড়ব, এবং এক পৃষ্ঠার পুরোটুকুই আয়ত্ত করব এবং সেটাকে জীবনের দেয়ালে মনের জানালার পাশে টাঙিয়ে রাখব}।

[যে বৃষ্টি বর্ষায় সবচেয়ে সত্য, সে বৃষ্টি বসন্তে খুবই অসত্য; ফুল তখন একমাত্র সত্য। পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদের অবস্থা-ভিত্তিক সত্যটুকুকে ছাত্র-ছাত্রীরা যদি ধ্রুব সত্য ভেবে নেয় তাহলে তাদের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের ভাবতে হবে বই পড়ে যত সহজে ও দ্রুত নিজেকে বিকশিত করা যায় অন্য কিছুতে ততটা করা যায় না। ছাত্র-ছাত্রী ও জ্ঞানের লাভের আনন্দ যাদের কাছে অনেক বড় বিনোদন তাদের জন্য পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদটির দ্বিতীয় বন্ধনী {} দ্বারা আবদ্ধ অংশটুকু প্রযোজ্য নয়। ]

#৩:
শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পেশাটি গ্রহণ করার উপযোগী কিনা?
[ডাক্তার মানসিক ভাবে আকর্ষণীয় হলে রোগী আস্তাবোধ করেন বেশি। যে ডাক্তার যত উন্নত সে ডাক্তার তত কম অষুধ দেয়। আর অতি উন্নত মানসিকতার ডাক্তাররা অষুধ ছাড়াই রোগী ভাল করে ফেলে। তাদের অমূল্য পরামর্শ রোগীদেরকে মূল্যবান অষুধের চেয়েও দ্রুত সারিয়ে তুলে।]

# ৪:
হাসতে পারে কিনা।
[যে ডাক্তার হাসতে জানে না সে ডাক্তার সেবক হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। ডাক্তারের হাসি প্রেস্ক্রিপশনে (না) লিখা প্রথম প্রতিষেধক।]
(উল্লেখিত ৪টি প্রশ্ন ও ৪টি নিরীক্ষণ কম-বেশি অন্যান্য পেশার জন্যও প্রযোজ্য।)

আমি পৃথিবীর পথে হাটছি কয়েক হাজার বছর ধরে। এতোক্ষণ যা বললাম তা পৃথিবীকে মাথায় রেখে পৃথিবীর অধিবাসী হিসেবে বললাম। কিন্তু বাস্তবে আমি থাকি বাংলাদেশে। এ দেশে জনগন ক্ষমতার সবচেয়ে বড় উৎস। আমি সেই মূল্যবান জনগনের একজন প্রতিনিধি। নির্বাচনের আগে আমি রাজা বাদশার সম্মান পাই( অন্তত দেশপ্রেমিক ভোটপ্রার্থীদের কাছে থেকে।)

আজকাল মোবাইল ফোনে কিছু প্রোফাইল থাকে, ব্যাবহারকারী রুচি ও প্রয়োজন মাফিক সেগুলোর সেটিং পরিবর্তন করে। এই লেখাটি যখন শুরু করি তখন এই লেখার সেটিং ছিল গ্লোবাল, এখন সেটিং পরিবর্তন করে সেটাকে করব রিজিওনাল অর্থাৎ এখন বাংলাদেশের প্রেক্ষপট মাথায় রেখে এগিয়ে যাব।

তবে দেশটা এ রকম নয় যে, যে যে বিষয়ে পড়ার জন্য উপযোগী সে সে বিষয়ে-ই পড়তে পারে। প্রথম সারির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ১টি আসনের বিপরীতে অন্তত ৩০ জন প্রতিযোগিতা করে। সুতরাং যে যে বিষয়ে পড়তে আগ্রহী, সে সে বিষয়েই যদি পড়তে চায় তাহলে বেশির ভাগ প্রার্থীকে সারা জীবন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় অশিক্ষিত থাকতে হবে। সুতরাং ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে যে যে বিষয়ের জন্য নির্বাচিত হয়, শিক্ষিত হবার স্বার্থে তাকে সে বিষয়ে ভর্তি হতে হবে এবং এটাই তার জন্য সুবিধাজনক। তবে যাদের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সামর্থ্য থাকে তাদের হিসাবটা ভিন্ন।

আজকে আমার কলম ধরার মূল লক্ষ্য মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির আকস্মিক পরিবর্তনের মৌখিক ঘোষণায় আমার মাঝে ঘটে যাওয়া মনোজাগতিক প্রতিক্রিয়ার লিখিত প্রকাশ। ডাক্তার হতে হলে আগে মাধ্যমিক স্তরে জীববিজ্ঞান পড়ে আসতে হয়। সব কিছুরই একটি শানে নজুল থাকা ভালো। এতক্ষণ যা বলেছি তা ছিল সূচনা পর্ব।
এখন মূল বিষয়ে আসি। প্রথমেই আমার অবস্থান জানিয়ে দেই। আমি পরিবর্তিত নতুন পদ্ধতির পক্ষপাতি নই।

দেশে বিরাজমান গতানুগতিক চাকুরিতে প্রার্থী নির্বাচনী পরীক্ষা আমার মোটেও মনঃপুত না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিগুলোও আমার কিছুটা অপছন্দের। তবে এ বিষয়ে আমি কখনও লিখিনি, কেননা তা আমাকে ততটা হতাশ করেনি। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক অমানবিক সিদ্ধান্ত আমাকে শুধু হতাশই করেনি ক্ষুদ্ধও করেছে। ভিতরে ক্ষোভ থাকলে তার প্রকাশ থাকতে হয় তা না হলে স্নো-বল ইফেক্ট হয়। তাই আমি ক্ষোভ প্রকাশের জন্য কাঁচের গ্লাস বা প্লেট ভাঙতে পারতাম,কিন্তু তা ত্রাসের কারন হতো। তাই তা না করে ক্ষোভের নির্দোষ প্রকাশ ঘটাবার জন্য কলমকে হাতে নিলাম।

নতুন পদ্ধতির বিপক্ষে আমার যুক্তিঃ
যুক্তি # ১:
এই পদ্ধতিতে প্রকৃত মেধাবীরা কম সুযোগ পাবে।
যুক্তি # ২:
নতুন পদ্ধতিতে যারা নির্বাচিত হবে তারা এক মানদণ্ডে যাচাইকৃত না।

একটা মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে অনেকগুলো মিথ্যা বলতে হয় এবং প্রচুর অপযুক্তি দাঁড় করাতে হয়। কিন্তু একটা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে অন্য কোন সত্য বলতে হয় না। প্রয়োজনবোধে সর্বোচ্চ একটা যুক্তি প্রদর্শনই যথেষ্ট। আমি নতুন পদ্ধতির বিপক্ষে অন্তত ১০টি যুক্তি দাঁড় করাতে পারব। কিন্তু তার প্রয়োজন বোধ করছি না।

যুক্তি # ১ এর ব্যাখ্যাঃ
নতুন পদ্ধতি প্রকৃত মেধাবীদের জন্য ক্ষতিকর। যার পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ তার মেধাও খারাপ- এ সিদ্ধান্তে আসা যায় না। অনেক মেধাবী ছেলেমেয়ে পড়াশোনা কম করে তাই সে স্কুলকলেজে রেজাল্টে পিছিয়ে থাকে। আবার বেশ কিছু ক্ষেত্রে দরিদ্র ঘরের ছেলেমেয়েরা জিপিএ বাড়াবার জন্য যথেষ্ঠ অর্থসম্পদ ব্যয়ের সামর্থ রাখে না। ফলে শিক্ষাবানিজ্যের এ যুগে তারা পিছেয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো হয় মৌলিক যেখানে মুখস্ত বিদ্যা প্রধান ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়। ফলে দেখা যায় যাদের মৌলিক জ্ঞান ভাল অথচ স্কুল-কলেজে বেশি ভাল জিপিএ নাই তারাও ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করে ভবিষ্যৎ গড়ার সর্বশেষ সুযোগ পায়।

যুক্তি # ২ এর ব্যাখ্যাঃ
দেশে অনেকগুলো শিক্ষা বোর্ড, অনেক স্কুল-কলেজ। একেক ছাত্রের একেক সুবিধা। দেশে নকল ও শিক্ষা দূর্নীতি কমে গেছে এমনটা শোনা যায়। আমি অবশ্য শোনা কথায় বিশ্বাস রাখি না। যার জিপিএ ভালো সে বেশি নকলের সুযোগ পেয়েছে, নাকি যার জিপিএ খারাপ সে কম নকলের সু্যোগ পেয়েছে তা কিন্তু বোর্ড পরীক্ষার জিপিএ দেখে বুঝার উপায় নাই। আমার দাবী এমন না যে মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় নকল হয় না। আসলে নকল হয় না-কি হয় না এ বিষয়ে আমার ধারনা নাই। তবে তর্কে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার স্বার্থে ধরে নিলাম ‘নকল হয়’। তারপরও সবাই যদি ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়াটার মধ্য দিয়ে যায়, তাহলে অন্তত সবাইকে এক মানদণ্ডে ফেলার সুযোগ পাওয়া যাবে।

আমার মনের একটি প্রশ্নঃ
অভিযোগ আছে কোচিং সেন্টারগুলো প্রশ্নপত্র ফাঁসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেদিন একটা টকশোতে আমাদের মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কিছু বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত শুনলাম। মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথা শুনে বুঝলাম কোচিং সেন্টারগুলো বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থার জন্য যথেষ্ঠ বিরক্তিকর ও ক্ষতিকর। উনার অনুমান সাম্প্রতিক সরকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মেডিকেল কলেজে ভর্তি-ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের সাম্প্রিতিক যে আন্দোলন তাতে কোচিং সেন্টারগুলোর যথেষ্ঠ ইন্ধন আছে। এ প্রেক্ষিতে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার সশ্রদ্ধ জিজ্ঞাসা কোচিং সেন্টার দমনে আপনার সরকার কি করছে বা করবে? আর আমার নিজের কাছে নিজের প্রশ্ন- একজনকে দমন করতে যেয়ে আরেক জনকে ক্ষতিগ্রস্থ করা কতটুকু বৈজ্ঞানিক? ইদুর মারতে যেয়ে যদি তেলাপোকা মারি জানি কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু ইদুর মারতে যেয়ে যদি বিশাল একটা বিড়ালই মেরে ফেলি তাহলে কি কেউ কোন প্রশ্ন তুলবে না?

আমার ব্যক্তিগত মীমাংসাঃ
নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতেই ভালো-মন্দ থাকবে, থাকাটাই স্বাভাবিক। অনেক সময় নতুনকে আমরা সহজে মেনে নিতে চাই না। তখন নতুনে অভ্যস্ত হতে সময় দিতে হয়। মেডিকেল কলেজে ভর্তির নতুন পদ্ধতিটি আরোপ করার আগে ছাত্র-ছাত্রীদের এ পদ্ধতিটির প্রয়োজনীয়তা ও ব্যাপকতা বুঝতে এবং এর জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করতে পর্যাপ্ত সময় দেয়া উচিত ছিল। ফুল একবারে ফুটে না, কলিকে সময় দিতে হয় পাপড়িগুলোকে রাঙাতে। অন্য কোন কারণ ও যুক্তি প্রদর্শন প্রয়োজন নেই, পড়াশোনার গোলকধাঁধাঁয় বিভ্রান্ত কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের নতুন পদ্ধতিটি আত্মস্থ করার জন্য যথেষ্ঠ সময় দেয়া হয়নি- এই একটি কারণই যথেষ্ঠ আকস্মিক সিদ্ধান্তটি থেকে সরে আসার জন্য।

***
ফিচার ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম