ক্যাটেগরিঃ ব্লগালোচনা

 

এবারের বর্ষপূর্তির দিন ব্লগপোষক ও ব্লগারদের মধ্যে ব্লগ সাইটটির উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। সেদিন ব্লগাররা ব্লগপোষকবৃন্দের কাছে যে দাবীগুলো জানিয়েছিলেন তার সারসংক্ষেপ কিছু সংযজনসহ নিচে উল্লেখ করছি। তালিকাভুক্ত দাবীগুলোর প্রথম ১০টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। (সবগুলো দাবী পূরণ সম্ভব না হলেও অন্তত প্রথম ১০টি দাবী পূরণ হবে বলে আশা করছি।)

প্রধান দাবী যেগুলো খুব শীঘ্রই পূরণ হওয়া প্রয়োজন
১.bangla.bdnews24.com মূল সাইটে যেন অবহেলিত ব্লগটির বড় মাপের একটি লিংক থাকে।
২.মোবাইল ফোন থেকে যেন মন্তব্য পড়া ও লেখা যায়।
৩.পাঠকের মন্তব্য সংখ্যা বেশি হলে পেইজ লোড হয় না বা লোড হতে দেরি হয়। এই সমস্যার আশু সমাধান প্রয়োজন।
৪.অনুসন্ধানের(Search) সুবিধাটা যেন আরো শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান হয়। অনুসন্ধানের সীমানা যেন মূল লেখনীর পাশাপাশি মন্তব্য পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। অনুসন্ধানের সময় খোঁজার ধরণ হিসেবে (ক) কন্টেন্ট, (খ) ব্লগার, (গ) শিরোনাম, (ঘ) মন্তব্য, (ঙ) সবকিছু- এই ৫টি অপশন রাখতে হবে।
৫.ব্লগারদের নিজের পোষ্টগুলোর একটি সময়ানুক্রমিক তালিকা থাকে। সহজে ট্র্যাক করার স্বার্থে নিজের বা অন্যের পোষ্টে করা ব্লগারের মন্তব্যগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকাও থাকতে হবে। (কিছু ব্যক্তি যেমন সময়ের চেয়েও বড় হয়, তেমনি কিছু মন্তব্য মূল লেখনীর চেয়ে অর্থবহ হয়, মন্তব্যগুলো যেহেতু কোথাও না কোথাও সংরক্ষিত থাকে তাই এগুলো সহজে খুঁজে পাবার উপায় থাকতে হবে)। মন্তব্য-তালিকাটা পোষ্ট-তালিকার মতই সমান গুরুত্ববহ হতে হবে।মন্তব্য ও প্রতি-মন্তব্য উভয়ের সংখ্যা আলাদা আলাদা করে উল্লেখ করতে হবে।
৬.নবীন ব্লগারদের জন্য নির্দেশনামূলক সহায়িকা(Help) পেইজ থাকতে হবে। বর্তমান পেইজের দৃষ্টিকটু দ্বিরুক্তিগুলো অপসারণ করতে হবে। প্রায়শ যে প্রশ্নগুলোর সম্মুখীন (FAQ) হতে হয় সেগুলোর জবাব নিয়ে এই পেইজটি সাজানো যেতে পারে।
৭.কম পাঠক পড়েছে এমন অনেক লেখা আছে যা মানের বিচারে উৎকৃষ্ট। (লাইক বা ডিসলাইকের মত যান্ত্রিক ব্যবস্থা না রেখে)কোন লেখা পড়ে ভালো লাগলে পাঠক যেন সে লেখাকে রেটিং দিতে পারে। এতে ভালো লেখাগুলো কিছুটা হলেও আলোর মুখ দেখবে। (এবং সম্ভব হলে রেটিঙের বিচারে সেরা ১০টি লেখার একটি তালিকাও সর্বাধিক পঠিত পোষ্টের তালিকার পাশে রাখা যেতে পারে।)
৮.পোষ্টগুলো যেন পৃথিবীর যেকোন কম্পিউটারে নিখুঁতভাবে দেখা যায়। কম্পিউটারে সংশ্লিষ্ট ফন্ট না থাকলেও যেন বর্ণমালার গঠন ও সহজবোধ্যতা অটুট থাকে।
৯.চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত মন্তব্য মুছে ফেলার কিংবা পরিমার্জন করার সুযোগ রাখতে হবে।
১০.সবগুলো পোষ্টের ব্যাক-আপ মন্তব্যসহ ডাউনলোড করার ব্যাবস্থা রাখতে হবে।

উপপ্রধান দাবী যেগুলো ক্রমান্বয়ে পূরণ হলেও চলবে
১১.সর্বশেষ পোষ্টের তালিকা যে পেইজে থাকে সে পেইজে ১০টি পোষ্টের বেশি পোষ্ট রাখা হয় না। ১০টিকে ৫০টিতে উন্নীত করা যায় কিনা তা ভেবে দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে অধিকতর স্থান পাবার জন্য পোষ্টের প্রথম অংশের বিবরণটা বর্জন করা যেতে পারে। এবং এটাকে অসুবিধাজনক মনে হলে পূর্বের পেইজটা বহাল রাখে সাথে নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী আরো একটি পেইজ বাড়তি সুবিধা হিসেবে যুক্ত করা যেতে পারে। পছন্দের স্বাধীনতা চাই। প্রয়োজনে একই বিষয়ে ভিন্ন সুবিধার একাধিক পেইজ হতে পারে।
১২.অশালীন বক্তব্য যেমন অবাঞ্ছিত, তেমনি অশুদ্ধ বানানও অপ্রত্যাশিত। খুব বেশি অশিক্ষিত না হলে সজ্ঞানে কেউ বানান ভুল করে না। বানান শুদ্ধির জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী অথবা পদ্ধতি নিয়োগ বা বহাল করা উচিত।
১৩.আগে আসলে আগে ভিত্তিতে পোষ্টগুলো সর্বশেষ পোষ্টের তালিকায় থাকতে হবে।
১৪.একজন ব্লগার গত দশ দিন যে পোষ্টগুলোতে বিচরণ করেছেন সেগুলোর ইতিহাস রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। আংশিক পড়া পছন্দের পোষ্টগুলো পরবর্তীতে পড়ার জন্য অস্থায়ী তালিকা করার সুবিধা দিতে হবে।
১৫.কোন প্রকাশিত লেখাকে সাময়িক প্রয়োজনে পাঠকের কাছে থেকে আড়াল রাখার সুবিধা দিতে হবে।
১৬.ব্লগের বিস্তারিত রীতিনীতি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকতে হবে।
১৭.লগড ইন ব্লগারদের সাবলীল ও গতিশীল তালিকা থাকতে হবে।
১৮.শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কত জন, গড়ে প্রতি দিন কত জন, এই মুহূর্তে কতজন ব্লগার বা অতিথি পাঠক ব্লগটি পড়ছেন সম্ভব হলে তার ডেটা প্রদর্শন করতে হবে।
১৯.প্রিয় সহব্লগারদের এবং প্রিয় লেখাগুলোর আলাদা তালিকা করার সুযোগ রাখতে হবে। (নিজের প্রিয় সহব্লগারের তালিকাটা সহব্লগারদের কাছে দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান যেকোনটাই হতে পারে।)
২০.অপেক্ষা শেষে কোন পোষ্ট ছাড়পত্র পেতে ব্যর্থ হলে কেন তা প্রত্যাখ্যাত হলো তা জানিয়ে ব্লগারকে সংশোধিত হতে কিংবা বিকল্প উপায় গ্রহণে সহযোগিতা করতে হবে। কতক্ষণের মধ্যে প্রস্তাবিত লেখা প্রকাশ না পেলে আর কখনোই তা প্রকাশ পাবে না সময়ের সে ব্যাপ্তিটা সম্ভব হলে নির্ধারণ করে দেয়া প্রয়োজন।
২১.পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করতে হবে।কম্পিউটারকে পাসওয়ার্ড ও আইডি মনে রাখার সুবিধা দিতে হবে। কম্পিউটার খোলা রাখা অবস্থায় ব্লগার সাময়িকভাবে কম্পিউটার থেকে দূরে থাকলে অন্য কেউ যেন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলতে না পারে।

যে দাবীগুলো ভেবে দেখা যেতে পারে
২২.সর্বশেষ পরিদর্শনকারী ব্লগার হিসেবে ৮ জনকে তালিকাভুক্ত থাকতে দেখা যায়। এই তালিকায় ২০ জনকে স্থান দেয়া যেতে পারে। সম্ভব হলে তারা সর্বশেষ কে কখন কি পরিদর্শন করেছেন তার একটি রেকর্ড রাখা যেতে পারে।
২৩.ব্লগারদের নিজস্ব পোষ্টগুলোকে নিজের মনের মত করে বিন্যাস-সমাবেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
২৪.লেখককে বিরক্তিকর পাঠকের মন্তব্যগুলো মুছে ফেলার সুবিধা দেবার বিষয়টা বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। যাদের ভালো লাগে না তারা যেন মন্তব্য করতে না পারে।
২৫.ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে প্রতিমন্তব্য লেখা যায় না। সমস্যাটা অন্য অন্তত ২টি ব্রাউজারে লক্ষ্য করা যায় না। তবুও ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার যেহেতু এখনও বহুল প্রচলিত তাই সমস্যাটাকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা যেতে পারে।
২৬.ড্রাফট করার পেইজটা আরো সহজ করতে হবে। বিশেষ করে ড্রাফট পেইজে টেক্সট এডিটরের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আরো বাড়াতে হবে। ড্রাফট্‌ আপডেট করার সময় টেক্সট এডিটরের প্রস্থ যেন কমে না যায়।
২৭.পোষ্টগুলো সময়ের ক্রমানুসারে সাজানো থাকে, বিষয়বস্তু ভেদে পোষ্টগুলোকে সাজানো যায় কিনা দেখতে হবে।
২৮.নিজের লেখায় নিজের মন্তব্য, নিজে লেখায় অন্যের মন্তব্য এবং অন্যের লেখায় নিজের মন্তব্যের তালিকায় অন্তত ২০টি করে মন্তব্যের লিংক লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।
২৯.মন্তব্যেও ছবি, ফাইল, অডিও এবং ভিডিও যুক্ত করার সহজ পদ্ধতি রাখতে হবে।
৩০.আরো কিছু ছোটাখাট দাবীঃ ক)ক্যাটাগরি ভিত্তিক পোষ্ট তালিকা করতে হবে। খ)কারো পোষ্টের এক-পঞ্চমাংশ বানান যদি ভুল থাকে তাহলে তা প্রকাশ পেতে দেয়া যাবে না।গ)ভিজিটর বেড়ে গেলে যেন গতি কমে না যায়।ঘ) অদেখা ও প্রতি-মন্তব-না-করা মন্তব্যগুলোর একটি আলাদ তালিকা তৈরি করতে হবে।ঙ)ব্লগটিম এবং ব্লগারের (এবং সঙ্গত মনে হলে ব্লগারদের পরস্পরিক) অন্তঃব্লগ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।চ)সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত দু’রকম প্রোফাইলের ব্যবস্থা রাখতে। তাছাড়া প্রতিটি ব্লগারের দু’টি করে প্রোফাইল থাকতে হবে।একটি ব্লগ প্রোফাইল, অন্যটি ব্লগার প্রোফাইল।ছ)পূর্ববর্তী লিড-পোষ্টগুলোর তালিকা নিয়ে একটি পেইজ করতে হবে এবং এই পেইজটার লিংক থাকতে হবে ফিচার পোষ্টের যেকোন জায়গায়। জ) প্রধান ফিচার পোষ্টের পাশাপাশি আরো দু’টি উপ-প্রধান ফিচার পোষ্ট হোমপেইজে রাখতে হবে।ঝ)ভালো-লেখা ও হৃদয়স্পর্শী-লেখাকে আলাদাভাবে মূল্যায়নের ব্যবস্থা উদ্ভাবন করতে হবে। ঞ) Internal server error- এই বার্তাটা দূর করতে হবে। ট)অ্যাকাউন্ট স্থায়ী কিংবা স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে।ঠ)ব্লগারের জন্য নির্ধারিত পেইজটির শীর্ষ-ডান কোনে একটি ব্যক্তিগত নোটিশ বোর্ড রাখতে হবে। এখানে ব্লগার বিভিন্ন বার্তা যেমন পরবর্তী লেখা কি নিয়ে, বর্তমানে কি করছেন কিংবা এখন কোথায় আছেন বা কেন নিষ্ক্রিয় আছেন- এ রকম মেসেস দিয়ে রাখবেন। ড)ড্রাফট্‌কে ভুলক্রমে পোষ্ট করে ফেললে তাকে যেন আনডু করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়।ঢ)পোষ্টকে সহজে প্রিন্ট করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। ণ)কবে নাগাদ নতুন সংস্করণটা প্রকাশ পাবে সে ডেডলাইনটা জানিয়ে দিতে হবে।

সর্বশেষ প্রস্তাবনা
৩১.(ভেবে দেখার জন্য): কখনো কখনো পাঠকের করা মন্তব্য মোডারেশন ডিলের কারণে প্রকাশ পেতে বেশ কিছু সময় পার হয়ে যায়। এর ফলে পাঠক-লেখকের ভাবের আদান-প্রদানে গতিমন্থরতা দেখা দেয়। ব্লগটিকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে পাঠকের মন্তব্য প্রকাশ পাওয়াটা প্রথমত লেখকের উপর এবং (লেখক প্রকাশ করার পর) দ্বিতীয়ত (এবং প্রধানত) ব্লগপোষকের উপর ছেড়ে দেয়া যায় কিনা ভেবে দেখা।(লেখক ভুলোমন হলে অবশ্য এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট অসুবিধা, তখন ব্লগপোষকগণতো আছেই) আরো দু’টি বিষয় বিবেচনায় আনা যেতে পারেঃ ক)পাঠক যখন-ই মন্তব্য করবে লেখক যেন তা দেখতে পায়। তবে সর্বসাধারণ তা দেখতে পাবে লেখকের কিংবা ব্লগ টিমের ছাড়পত্র পাবার পর। খ) প্রকাশযোগ্য মন্তব্যগুলো ২০ মিনিটে প্রকাশ পাবার নিশ্চয়তা।

বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ
৩২.ফাইনাল ভার্সন স্থায়ীভাবে প্রকাশ করার আগে একটি খসড়া(বিটা) ভার্সন কিছু দিন ব্লগারদের পর্যালোচনা ও সুপারিশের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। যাদের জন্য এই ব্লগ মাঠ পর্যায়ে তাদের পরামর্শ সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে। এতে সৃজনশীল ডিজাইনার জানতে পারবে সাইটটি প্রান্তিক ব্যবহারকারী অর্থাৎ ব্লগারদের চাহিদা মত হচ্ছে কি-না। (কুমার যে পাতিলটা বানাবে তা দিয়ে রহিম অথবা রহিমা যদি ভাত রান্না করতে না পারে তাহলে কুমার যত বড় বিদ্বান-ই হোক না কেন তার সাধনা ব্যর্থ।)
৩৩.নতুন ইন্টারফেইসের আবির্ভাবে যেন আগের ডেটাগুলো মুছে না যায়। পূর্ববতী লেখা ও মন্তব্যগুলো মুছে গেলে মানবিক বিপর্যয় হবে। ( প্রথমআলোর মত একদিন সকালে ব্লগাররা হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে যেন না দেখে যে তাদের আগের সবগুলো পোষ্ট মুছে গেছে।)

আর কত
এতোদিন ভাবের কথা লিখতে লিখতে দেখলাম বাস্তবে সুযোগ-সুবিধার যথেষ্ট অভাব। বাস্তবতার আলোকে তাই কিছু দাবী তুলে ধরলাম। অডিও এবং ভিডিও পোষ্ট বিষয়ক আরো কিছু দাবী ছিল। যত বেশি চাওয়া হয় না পাওয়ার কষ্টটা তত বেশি দুঃখ দেয়। তাই আপাতত আর কোন দাবী উত্থাপন করছি না।

উপসংহার
যে নকশাটা প্রকৃতির যত বেশি সদৃশ সে নকশাটা তত বেশি নান্দনিক। যে আইনটা জাগতের আইনের যত বেশি কাছাকাছি সে আইনটা তত বেশি প্রতিষ্ঠিত। বাস্তব জগতটার ছায়া ব্লগের এই ভার্চুয়েল জগতটাতেও দেখতে চাই। জগতস্রষ্টা সব কিছু সৃষ্টি করেন সর্বোৎকৃষ্ট নকশায়; এক জিনিস তিনি দু’বার সৃষ্টি করেন না এবং যা সৃষ্টি করেন ভালোবেসে সৃষ্টি করেন। ভালোবেসে যা সৃষ্টি হয় তা-ই শ্রেষ্ঠ হয়, বেঁচে থাকে চিরকাল। তাই বলি প্রয়োজনে আরো সময় নেয়া হোক, কিন্তু ভালোবেসে ভালো ডিজাইনের একটি সহজে ব্যবহারযোগ্য ব্লগ সাইট উপহার দেয়া হোক যা পাঠক-লেখক উভয় সম্প্রদায় সুখে-দুঃখে ব্যবহার করবে যুগ যুগ ধরে।