ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

সিলেটে ১১ এপ্রিল মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। তাতে সিলেটে ২দিন সিলেটে বিভিন্ন কোম্পানির ব্রডব্যান্ড লাইন কাটা পড়ে যার দরুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় কয়েক হাজার গ্রাহক বিপাকে পড়েন। ইন্টারনেট কেবল নিয়ে সবাই সরগোল পাকালেও সে সময় কাটা পড়ে ডিস কেবল। সিলেটে কেবল ব্যবসায় সরকারি নীতিমালার দাবি শিরোনামে নাগরিক সাংবাদিকতার পথিকৃত blog.bdnews24.com -এ প্রকাশের পরও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে শুধু কী বৈদ্যুতিক লাইন কাটা পড়বে?

54837

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী (১১ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৪টায় সিলেট সিটি করপোরেশন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে জানান, “মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ চেয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারকে চিঠি দেয়া হলেও মেয়র হিসেবে আমাকে অনুলিপি দেওয়া হয়নি।”

‘অথচ নগরবাসী মনে করছেন, মেয়রের চেয়ারে বসে আমিই অভিযান চালানোর আদেশ দিয়েছি। কিন্তু জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আদালতের আদেশে মেয়রের বৈধতা পেলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাহী ক্ষমতা ও আর্থিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইনি। তাই এ বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেছি। তবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হই বা না হই জনগণের মেয়র হিসেবে আমি আছি, থাকবো।’

আরিফুল বলেন, ‘জনগণের অসুবিধা হয় এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে আগে নগরবাসীর প্রতিনিধিত্বকারী ২৭টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেব। বিগত দিনেও যেকোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিষদের সিদ্ধান্ত নিয়ে করেছি। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় কর্মকর্তারা দুঃখ প্রকাশ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের ওপর দায়িত্ব থাকলে আজ এ অসুবিধা হতো না। ইতোমধ্যে ফের ইন্টারনেট সংযোগ দিতে কাজ শুরু করেছেন সিসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত আন্ডারপাস স্থাপনের বিষয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি নাকি বলেছি, এই কাজ শিগগিরই হবে। মূলত কেবল লাইন এবং ফাইবার অপটিক লাইনগুলো পাইপ দিয়ে মাটির নিচে নেওয়ার কথা বলেছিলাম।”

নাগরিক প্রশ্নঃ তবে কেবল অপারেটরের লাইনে কেন সিলেট নগরীর বিভিন্ন সড়কের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঝুলে থাকা ফাইবার অপটিক লাইন কেটে দি্লোনা কেন? সিলেটে কেবল ব্যবসায় সরকারি নীতিমালার দাবি জানানোর পরও কী সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রনালয় এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেবে না?